ভোলায় সিএনজি চালকদের হামলায় ২ বাসের স্টাফ আহত, ১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

ভোলার কথা
স্টাফ রিপোর্টার সম্পাদক
প্রকাশিত: ৬:৫৩ অপরাহ্ণ, মে ১৩, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ভোলার শান্ত পরিবেশ ঘোলাতে করতে আওয়ামীলীগ পতনের পর থেকে একের পর এক নৈরাজ্য করে যাচ্ছে ভোলার সিএনজি চালকরা। এ নিয়ে ভোলার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে একাধিকবার সভা বসে সমাধান করেছেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে চালকদের বেপরোয়া গতিরোধে কিছু শর্ত দিলে, সে শর্তের বিরুদ্ধে সোমবার দিনভর ভোলা সরকারী স্কুল মাঠে সিএনজি রেখে আন্দোলন করেন। পরবর্তীতে দুপুরে একটি মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান কর্মসূচি ও জেলা প্রশাসককে স্মারক লিপি দিয়েছে সিএনজি মালিক সমিতি।

আন্দোলন শেষে ভেদুরিয়া ঘাটে গিয়ে পাহাড়িকা পরিবহনের ড্রাইভার হাসান ও সুপারভাইজার কামালের উপর অর্তকিত হামলা করেন সিএনজি চালকরা। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছে। তবে ড্রাইভার হাসানের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হাসানের স্ত্রী তাহমিনা জানান, আমার স্বামীকে এমনভাবে পিটিয়েছে ৪ ঘন্টা পর তার জ্ঞান ফিরেছে। এদিকে আহতদের পাশের বেডেই কাতরাচ্ছে জাকির হোসেন নামের মদিনা পরিবহনের আরেক স্টাফ। তাকেও বোরহানউদ্দিনের মানিকা নামক স্থানে সিএনজি চালকরা গতিরোধ করে মারধর করেছে। এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করলেও সিএনজি চালকদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি, তবে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

বাস শ্রমিক নেতৃবৃন্দ বলেন, সিএনজি চালকরা আমাদের বাস স্টাফের উপর হামলা করে তাদেরকে গুরুত্বর আহত করেছে। আমরা এই হামলা নিন্দা জানাই এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি। তারা আরও বলেন, শান্ত ভোলার পরিবেশ ঘোলাটে করতে আওয়ামী লীগ পতনের পর থেকে একের পর এক নৈরাজ্য করে যাচ্ছে ভোলার সিএনজি চালকরা। আ’লীগের চক্রান্তকারী দোসররা সিএনজি চালকদেরকে উস্কে দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। পতিত সরকারের লোকজন সিএনজি চালকদের সাথে আন্দোলনে যোগ দিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। দেশের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে বসে পতিত সরকারের লোকজন দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে। এদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবী জানান নেতৃবৃন্দ।